|
|
Events
প্রিয় রুদ্র ....
প্রজত্নে আকাশ ...
তুমি আকাশের ঠিকানায় চিঠি লিখতে বলেছিলে ..
তুমি কি এখন আকাশ জুরে থাক??
তুমি আকাশে উরে বেরাও তুলর মত্ পাখির মত্..?
তুমি এই জগত শংশার ছেরে আকাশে চলে গেছ..
তুমি আশলে বেচে ই গেছ রুদ্র ...
আচ্ছা তুমার কি পাখি হয়ে উরে ফিরে আসতে ইচ্ছে করে না ??.
তুমার সেই ইন্দিরা রুড এর বারিতে..আবার সেই নিলখেত সাহাবাগ পরিবাগ লালবাগ..
চুশে বেরাতে??
ইচ্ছে তুমার হয়না এ আমি বিসসাস করি না ..ইচ্ছে ঠিকি হয় ..পারনা ..
অথচ্ এক শময় যা ইচ্ছে হত্ তুমায় তা তুমি করতে ..
ইচ্ছে যদি হত্ শারা রাত না ঘুমিয়ে গল্প করতে .. করতে
ইচ্ছে যদি হত্ শারা দিন পথে পথে হাটতে ..হাটতে.
কে তুমাকে বাধা দিত??
জীবন তুমার হাতের মুঠয় ছিল.. এই জীবন নিয়ে যেমন ইচ্ছে খেলেছ্ ..
আমার ভেবে অবাক লাগে .. জীবন এখন তুমার হাতের মুঠে নেই..
ওরা তুমাকে ট্রাকে ওঠিয়ে মেতি খালে রেখে এল্... তুমি প্রতিবাদ করতে পারনি..
আচ্ছা!! তুমার লালবাগ এর সেই প্রেমিকা টির খবর কি ? দিঘ্ বছর প্রেম করেছিলে..
তুমার যে নিল খালার সাথি .তার ওদ্দশে তুমার দিশ্তা দিশ্তা প্রেম এর কবিতা দেখে..
আমি যে ভিসন কেদেছিলাম একদিন......
তুমি আর কার শাথে প্রেম করছ্ এ আমায় শইতনা ..
কি ও বুজ বালিকা ছিলাম ..তাই কি...
জেন আমাকে তুমাইয় ভালবাশতে হবে !!!
জেন আমরা ২ জন জন্মেছি ২জন এর জন্য ...
যেদিন ট্রাকে করে নেয়ে গেল বাড়ি থেকে ..
আমারখুব দম বন্ধ হয়ে আসছিল...
ঢাকা সহর টা কে এত ফাকা আর কখন লাগেনি...
বুকের মদ্ধে এত্ হাহাকার আর কখন জন্মে নি ..
আমি ঢাকা ছেরে শেদিন চলে গিয়েছিলাম ময়মনশিংহ...
আমার ঘরে তুমার বাক্স ভরতি চিঠি গুল্ হাতে নিয়ে জন্মের কান্না কেদে ছিলাম...
আমাদের বিচ্ছেদ ছিল চার বছরের এত্ বছর পরে ও তুমি কি গভির করে বুকের মদ্ধে রয়ে গিয়ে ছিলে ... শেদিন আমি টের পেয়েছি ..
আমার বড় হাশি পায় দেখে এখন তুমার শয় শয় বন্ধু বেরচ্ছে ..
তারা তখন কুথায় ছিল্ যখন পয়শার অভাবে দুপরে একটি শিঙ্গারা খেয়ে কাটিয়েছ..
আমি না হয় তুমার বন্ধু নই তুমাকে ছেরে চলে এসেছিলাম বলে ..
এইজে এখন তুমার নামে মেলা হয় . তুমার পরিচিত্ আমি ই আন ওপস্তিত থাকি মেলায়...
যারা এখন রুদ্র রুদ্র বলে মাতন করে তারা তখন কুথায় ছিল ..
সেস দিকে তুমি শিমুল নামে এক মেয়েকে ভালবাশ তে..
বিয়ের কথা ও হচ্ছিল আমাকে শিমুল এর শব গল্প আকদিন করলে..
আজ এই প্রজন্ত ....... বাকি তুকু পরে,.....নাবালক
|
|
